Home / মিডিয়া নিউজ / এবার জানা গেল,কেন নিজের দেহ এফডিসিতে নিতে বারণ করেছিলেন অভিনেতা খলিল

এবার জানা গেল,কেন নিজের দেহ এফডিসিতে নিতে বারণ করেছিলেন অভিনেতা খলিল

ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় খল অভিনেতা ছিলেন খলিল উল্লাহ খান। যিনি খলিল নামেই

সব থেকে বেশি পরিচিত। বাংলা সিনেমায় কাজ করেছেন দীর্ঘ ৫ দশকেরও বেশি সময় ধরে। করেছেন

অগণিত বাংলা সিনেমা। পেয়েছেন নানা সম্মাননা। ২০১৪ সালের ৭ ডিসেম্বর অসংখ্য ভক্তকে কাঁদিয়ে

না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। ফুসফুস, লিভার ও কিডনির জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে গুণী এই শিল্পী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
জীব’দ্দ’শায় বাং’লাদেশ চ’লচ্চিত্র শিল্পী স’মি’তির সভা’পতি’র দায়ি’ত্ব পালন ক’রেন খ’লি’ল। ’সোম’বার (৭ ডিসেম্বর) তার চতু’র্থ মৃ”ত্যু’বা’র্ষি’কী। এ উপ’ল’ক্ষে দী’র্ঘদি’নের সহ’ক’র্মীরা তা’কে শ্র’দ্ধা’র স’ঙ্গে স্ম’রণ ক’রছেন। এদি’কে তার পরি’বারের পক্ষ থেকে দোয়া ও মিলাদ মাহ’ফি’লের আয়ো’জ’ন করেছে।

অভি’নেতা খ’লিল উ’ল্লাহ খানের পুত্র মুসা বলেন, আ’ব্বা’র মৃ”ত্যু’বা’র্ষি’কীতে আ’মরা যে’টা সব’স’ময় করি তা হলো—পা’রিবারি’ক’বে মি’লা’দ-ম’হফি’লের আ’য়ো’জন। স্থা’নীয় মসজিদে আ’ব্বার অ’নেক অব’দান। সেখা’নে মি’লাদ ও দোয়া মা’হফি’লের আ’য়োজন করেছি। ম’হ’ল্লা”ভিত্তিক’ একটি সংগঠনে’র প্র’তি’ষ্ঠাতা তিনি। এই সং’গঠনের পক্ষ থেকে আজ মিলাদ মাহ”ফিলের আ’য়ো’জন করা হয়ে’ছে। সবার কাছে আ’ব্বার জন্য দোয়া চাই।

অভি”নেতা খলিল অ’নেক দিন অ’সু’স্থ ছিলেন। অ”সু’স্থ থা’কাব’স্থায় চল’চ্চিত্রের কেউ খোঁজ নিতেন কিনা? এমন প্র’শ্নে’র উত্ত’রে মুসা বলেন—আব্বা অ’সু’স্থ ’থাকাকা’লীনই খুব একটা যোগা’যো’গ ছিল না। রা’জ্জাক আ’ঙ্কে’ল (নায়ক’রাজ রাজ্জা’ক), আ’লমগীর আ’ঙ্কে’সহ ক’য়েক’জন সি’নিয়র শি’ল্পী খোঁ’জ নি’তেন।

আর কেউ আমা’দের খোঁ’জ নি’তেন না। এছা’ড়া মিশা সও’দাগর (খল অভিনেতা) এ’কবা’র আব্বাকে দে’খতে এ’সে শি’ল্পী স’তির পক্ষ থেকে দু’ই লা’খ টা’কা দিতে চে’য়েছি’লেন, কিন্তু আ’মরা তখন’ নি’ই’নি। বলে’ছিলা’ম, এখন নেব’ না পরে প্র’য়ো’জন হলে নেব। পরে বা’বার কা’ছে টা’কা’টা দিয়ে গিয়ে’ছি’লেন। এরপ’রে তা’দের দা’য়ি’ত্ব শে’ষ!

এফ’ডিসি’তে নি’জের ম’র’দে’হ নি’তে মৃ’ত্যু”র আ’গেই ছে’লেকে বা’রণ করে গি’য়ে’ছিলেন খলিল। বি’ষয়টি স্ম’রণ ক’রে মু’সা ব’লেন—সবচে’য়ে দুঃ’খজ’নক হ’, আব্বা আমা’কে বলে গি’য়েছি’লেন এফ’ডি’সিতে তার ম’র’দে’হ না নেও’য়ার জ’ন্য। তা’রপ’রও আ’মি বাবা’র অভি’মানে’র কথা না ভে’বে তা’র লা”শ এফডি’সি’তে নি’য়ে গি’য়েছিলাম।

কিন্তু সে’খানে সি’নিয়’র কয়ে’কজন শি’ল্পী বা’দে অন্য’রা কেউ তাকে শে’ষবা’র’ দেখ’তেও আ’সে’ননি। রাজ্জাক আ’ঙ্কে’ল, আল’মগীর আ’ঙ্কে’লসহ কিছু সিনি’য়র শি’ল্পী ছিলেন। অনে’কেই ছি’লেন না। অনে’ক শি’ল্পী’কেই আ’মরা পা’ইনি। এটা অ’নেক দুঃখ’জ’নক। কেউ ফো’ন করে সম’বেদ’নাও জা’নান’নি। আজ পর্য’ন্ত এফডি’সি’র প’ক্ষ থে’কে ’কেম’ন আছো’ এই শব্দ’টি শু’নি’নি।

১৯৩৪ সা’লের ২ ফে’ব্রুয়ারি ’ভার’তের মে’দিনী’পুরে ’জ’ন্মগ্রহণ’ করেন অভি’নেতা খ’লিল। তিনি একা’ধা’রে টি’ভি ও চল’চ্চিত্রা’ভিনে’তা। চ’লচ্চি’ত্রে তার অ’ভিষে’ক হয় ১৯৫৯ সালে কলিম শরা’ফী ও জহির রা’য়হা’ন পরি’চালিত ’সোনা’র কাজ’ল’ সি’নেমার মাধ্যমে। এরপর নি’য়মিত’ই ছো’ট পর্দায় এবং রু’পা’লি জগ’তে তাকে দেখা যায়। প্রয়াত পরি’চালক’ আ’লম’গীর কুম’কুম পরি’চালিত ’গুন্ডা’ সিনে’মায় অ’ভিনয় ’করে প্রথম জাতীয় ’চলচ্চিত্র পুর’স্কার লা’ভ করেন খলি’ল।

খলি’ল অভি’নীত উল্লে’খযো’গ্য সিনে’মা হচ্ছে—’পুনম কি রাত’, ’ভাওয়া’ল স’ন্ন্যাসী’, ’উল’ঝা’ন’, ’সমাপ্তি’, ’তানসেন’, ’নদের চাঁদ’, ’পাগলা রাজা’, ’বেঈমান’, ’অলঙ্কার’, ’মিন্টু আমার নাম’, ’ফকির মজনু শাহ’, ’কন্যাবদল’, ’মেঘের পরে মেঘ’, ’আয়না’, ’মধুমতি’, ’ওয়াদা’, ’ভাই ভাই’, ’বিনি সুতার মালা’, ’মাটির পুতুল’, ’সুখে থাকো’, ’অভিযান’, ’কার বউ’, ’কথা কও’, ’দি’দার’, ’আওয়াজ’, ’নবাব’ ইত্যাদি।

শুধু সিনেমাই নয়, করেছেন বেশ কিছু টিভি নাটকও। তার অভিনয় দক্ষতা ছিল একেরবারে অনবদ্য। আর নাটকে তার একটি চরিত্র এখনো মানুষের মনে বেশ দাগ কেটে থাকে। তার সেই বিখ্যাত চরিত্রটির নাম হলো ’মিয়ার ব্যাটা’।

Check Also

ভালো নেই পূর্ণিমা

ঢাকাই সিনেমার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা ভালো নেই। হঠাৎ করে কয়েকদিন ধরে ঠাণ্ডাজ্বর ও গলা ব্যথায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Recent Comments

No comments to show.