Home / মিডিয়া নিউজ / প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি, তার অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করেছি: কেয়া

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি, তার অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করেছি: কেয়া

অতীতের তুলনায় বর্তমান সময়ে মানুষের মধ্যে সৌন্দর্য চর্চা এবং নিজেদের শরীরের প্রতি যত্ন নেওয়া

বিষয়টি খুব গুরুত্ব পেয়েছে। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা নিজেদের সৌন্দর্য সচেতনতা এবং তাদের

বাহ্যিক সৌন্দর্য কে ফুটিয়ে তুলতে অনেক রকম সৌন্দর্য চর্চা করছে। মূলত সৌন্দর্য আসে মানুষের

ভেতর থেকে তবে বাহ্যিক সৌন্দর্য তাই সবার আগে তাই মানানসই পোশাক আর দামি প্রসাধনীর মাধ্যমে তারা নিজেদেরকে পরিপাটি রাখতে চেষ্টা করে

সৌন্দর্য বিকাশের পাশাপাশি এ বিষয়ক নানাবিধ রোগের সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ করেন ভারতের প্রখ্যাত সৌন্দর্য ও অ্যারোমা বিশেষজ্ঞ কেয়া শেঠ। প্রাকৃতিক ও জৈব উপাদানে নির্ভর করে অনিদ্রা, মাইগ্রেন, অ্যাসিডিটি ও আর্থারাইটিসের মতো গভীর অসুখ নিরাময়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে অ্যারোমাকে নতুন আঙ্গিকে হাজির করেছেন তিনি।

এসব উদ্ভাবন নিয়ে ঢাকায় উপস্থিত হচ্ছেন আগামী ১২ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বসুদ্ধরা বিমস্টেক আয়ুষ ট্রাডিশনাল হেলথ কেয়ার প্রাকৃতিক ও জৈব পণ্য এক্সপো ২০২০-এ। রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এ এক্সপোতে তিনদিনই কেয়া শেঠ উপস্থিত থাকবেন ১০১ ও ১০২ নাম্বার স্টলে।

এসব তথ্য জানাতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে কেয়া শেঠে প্রতিষ্ঠান ’কেয়া শেঠ অ্যারোমাথেরাপি (বিডি) প্রাইভেট লিমিটেড’। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে নিজের উদ্ভাবিত বিভিন্ন পণ্যের বিস্তারিত তুলে ধরেন কেয়া শেঠ।

এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান। তিনিও এই সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞের বিভিন্ন পণ্যের গুনাবলী মনোযোগ দিয়ে শোনেন ও কেয়া শেঠের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সংবাদ সম্মেলনে কেয়া শেঠ বলেন, ’আমার উদ্ভাবিত পণ্য আগে আমরা নিজেরাই ব্যবহার করি। নিজেদের ওপর প্রয়োগ করি। তারপর ভারত সরকারের ড্রাগ কন্ট্রোর বিভাগ থেকে অনুমতি নিয়ে তবেই সাধারন মানুষের জন্য প্রকাশ করি।

সারাবছর ধরে আমার গবেষণাগারে প্রতিটি বিষয়কে আরও উন্নত করার গবেষণা চলছে। বস্তুত এ কারণে আমার প্রতিটি পণ্যের মডেল আমি বা আমার ছেলে-মেয়েরা। আসলে আমি নিজে যা উপলদ্ধি করি, অনুভব করি তাই প্রকাশ করি।’

এই সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, ’আমার অ্যারোমা পণ্য বাংলাদেশে চাহিদা বাড়ছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছি আমি। তার অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশে আমরা কার্যক্রম শুরু করেছি। এরইমধ্যে চট্টগ্রামের আমাদের কারখানা স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে আমাদের পণ্য যেমন বাংলাদেশে সুলভ হবে তেমনি সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানও।

এছাড়া কোম্পানি নথিভুক্ত করে ঢাকায় অফিস খুলে এই চিকিৎসাকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছানোর কাজ ইতিমধ্যে শুরুও করেছি।’

দেশী এই চিকিৎসাকে আরও বেশি করে মানুষের কাছে পৌছাতে এদিন ঢাকায় সাংবাদিকদের কাছে সাহায্য ও পরামর্শ চেয়েছেন ভারতীয় এই সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ। পাশাপাশি বাংলাদেশ নিয়ে নিজের উপলদ্ধির কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে কেয়া শেঠ বলেন, ’অামার জন্ম কলকাতায় বাঙালি পরিবারে, বাঙালি হিসেবেই আমার গর্ব। বিশেষ করে যে দেশের মানুষ মাতৃভাষার জন্য প্রান দেন, রাষ্ট্রসংঘে লড়াই করে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ছিনিয়ে আনেন, তাদের আমি কুর্ণিশ করি, শ্রদ্ধা জানাই। তাই বলতে দ্বিধা নেই, আমার হৃদয়ে বাংলাদেশের জন্য রয়েছে অশেষ শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।

বস্তুত এ কারণে এশিয়া মহাদেশের পুরনো চিকিৎসা পদ্ধতি অ্যারেমাথেরাপিকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে আরও পৌঁছে দিতে আপনাদের কাছে এসেছি।’

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। দেশের রয়েছে বিশাল এক জনগোষ্ঠী তবে এখনো এই বিশাল জনসংখ্যার অনেকাংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে রয়েছে। তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হয়েছে অনেকটা শিক্ষার হার বেড়েছে এবং কমেছে দরিদ্রের হার মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। তবে কমেছে চাকরির ক্ষেত্রগুলো। দেশে যে পরিমাণ শিক্ষার হার বেড়েছে তুলনামূলক চাকরির ক্ষেত্র কমেছে আর এ কারণেই মূলত বেকারত্ব বাড়ছে।তাই বিভিন্ন কল কারখানা স্থাপন করা হলে এই বেকারত্বের হার কিছুটা হলেও হ্রাস পেতে পারে

Check Also

খোঁজ পাওয়া গেল সালমান শাহের আরেক নায়িকা সন্ধ্যার

ঢালিউডে তিনি যাত্রা করেছিলেন ‘প্রিয় তুমি’ সিনেমা দিয়ে। সেটা ১৯৯৫ সালের কথা। কলেজে পড়ার সময় …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Recent Comments

No comments to show.