Home / মিডিয়া নিউজ / চাঁদে কেনা সেই জমি যেভাবে দেখভাল করতেন সুশান্ত

চাঁদে কেনা সেই জমি যেভাবে দেখভাল করতেন সুশান্ত

সময় যত যাচ্ছে ততই বেশি কৌতুহলী হয়ে উঠছে মানুষ। অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত কে নিয়ে

প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের তথ্য আসছে ভক্ত অনুকুলের দোরগোড়ায়। সম্প্রতি শোনা যায় আলোচিত

অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত চাঁদে জমি কিনেছিলেন এবং প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী হিসেবে তিনি এ

কাজ করেছিলেন এখানে উল্লেখ্য যে চাঁদে জমি শুরু ক্লিনিকে নেননি চাঁদে জমি কিনেছেন অভিনেতা শাহরুখ

খান ও।মহাকাশের প্রতি ভালোবাসা এবং তারকা জগতের প্রতি অদ্ভূত কৌতহুল ছিলেন অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত প্রেক্ষিতে তিনি চাঁদে জমি কিনেছিলেন

বিজ্ঞানের মেধাবী ছাত্র থেকে হয়ে উঠেছিলেন রুপোলি জগতের এক জন। অভিনয় ছাড়াও রুপোলি রেখাকে নিজের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে নিয়েছিলেন সুশান্ত সিংহ রাজপুত। চাঁদের মাটিতে জমি কিনেছিলেন তিনি।

লাইট-সাউন্ড-ক্যামেরার অবসরে তাঁর সময় কাটত আকাশের চাঁদ-তারাদের সঙ্গেই।

চাঁদের চিরঅন্ধকার দিকটি, অর্থাৎ যে অংশটি সব সময় পৃথিবীর বিপরীত দিকে থাকে, সেই দিকে ’মেয়ার মাস্কোভিয়েন্স’ বা ’সি অব মাসকোভি’ অংশে জমি কিনেছিলেন সুশান্ত।

ইন্টারন্যাশনাল লুনার ল্যান্ডস রেজিস্ট্রি-র কাছ থেকে এই জমি কিনেছিলেন সদ্য প্রয়াত অভিনেতা। ২০১৮-র ২৫ জুন তাঁর নামে ওই চান্দ্র ভূখণ্ড নথিভুক্ত হয়।

তবে আন্তর্জাতিক চুক্তি ও নিয়ম অনুযায়ী পৃথিবীর বাইরে কোনও মহাজাগতিক অংশ কারও আইনি সম্পত্তি হতে পারবে না।

বলিউডে সুশান্ত-ই প্রথম নায়ক, যিনি চাঁদের জমি কিনেছেন। শাহরুখ খানকে চাঁদে এক খণ্ড জমি উপহার দিয়েছেন তাঁর অনুরাগী।

রাতের আকাশের প্রতি দুর্নিবার আকর্ষণ ছিল পদার্থবিজ্ঞানের এই মেধাবী ছাত্রের। তাঁর কাছে ছিল অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ। সময় পেলেই চোখ রাখতেন তারাদের সংসারে।

ভক্তরা মজা করে বলতেন, সুশান্ত নাকি ওই ভাবে চাঁদের মাটিতে নিজের জমি দেখভাল করতেন!

মহার্ঘ্য টেলিস্কোপ হাতে পেয়ে খুশি হয়েছিলেন বাচ্চা ছেলের মতোই। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছিলেন, ’’এটা বিশ্বের আধুনিকতম টেলিস্কোপের মধ্যে অন্যতম। এ বার বাড়ি থেকেই শনিগ্রহের বলয় দেখতে পাব।’’

টেলিস্কোপে চোখ রেখে সময়-সফর করতেন সুশান্ত। শনির বলয়, বৃহস্পতির চাঁদ পেরিয়ে পাড়ি দিতেন অন্তহীন ছায়াপথ বেয়ে।

পথ হারিয়ে সেই ছায়াপথ জানালা দিয়ে ঢুকে পড়ত পর্দার এম এস ধোনির ঘরেও। তাঁর ঘরের দেওয়ালে আঁকা ছিল চাঁদে মানুষের প্রথম পা রাখার ছবি।

কোনও এক দেওয়ালে ছিল অন্য মহাকাশ অভিযানের ছবি। দেওয়ালের গ্রাফিতিতে ধরা দিতে চাঁদের ষোলো কলাও।

মহাকাশচারীর পোশাকে ঘুরে এসেছিলেন নাসা-র দফতরও। টেবিলে সাজানো থাকত মহাকাশযানের মডেল।

মহাজাগতিক জগতের সঙ্গে ’ওম’ শব্দের আত্মিক সম্পর্ক খুঁজে পেতেন পরম শিবভক্ত এই অভিনেতা।

জীবনকে আকণ্ঠ পান করে ভালবাসতেন স্বপ্নের উড়ানে পাড়ি দিতে। তিনি কিনেছিলেন দুর্মূল্য ফ্লাইট স্টিমুলেটর। সাধারণত এই স্টিমুলেটর পাইলটদের প্রশিক্ষণের কাজে লাগানো হয়।

গতির নেশা ছিল পথেও। তাঁর কাছে ছিল মূল্যবান বিএমডব্লু কে ১৩০০ আর মোটরসাইকেল। পছন্দের বাহন ছিল বিলাসবহুল স্পোর্টসকার মাসেরাতি কোয়াত্রোপোর্তে এবং ল্যান্ডরোভার রেঞ্জ রোভার এসইউভি।

শোনা যায়, ছবি পিছু তাঁর পারিশ্রমিক ছিল পাঁচ থেকে সাত কোটি টাকা। সম্পত্তির পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৯ কোটি টাকা। উপার্জনের বেশির ভাগই তিনি ব্যয় করতেন নিজের স্বপ্নছোঁয়ার প্রয়াসে।

মহাকাশচারী, পাইলট হওয়ার স্বপ্ন থেকে পথ ভুলে চলে এসেছিলেন অভিনয়ে। মায়ের মৃত্যুর পরে ছন্নছাড়া জীবনে আঁকড়ে ধরেছিলেন নতুন প্যাশনকেই।

বলিউডের প্রতিযোগিতার ইঁদুরদৌড়েও ভাটা পড়ল না স্বপ্নসন্ধানে। তাই তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইলও ছিল বাকি তারকাদের থেকে আলাদা।

কখনও সেখানে থাকত কম্পিউটার কোডিং শেখার প্রয়াস।

বেশির ভাগ সময়েই তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল শাসন করত সৌরজগতের পড়শিদের বিভিন্ন রূপ। চাঁদের পিঠে গহ্বর, নীলসবুজ পৃথিবী বা উজ্জ্বল কালপুরুষ আলোকবর্ষ পেরিয়ে আসা যাওয়া করে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইলে।

ক্যামেরা ও টেলিস্কোপের লেন্সের ঘেরাটোপ পিছনে ফেলে রেখে সুশান্ত সিংহ রাজপুত এখন নিজেই সব আলোকবর্ষ পেরিয়ে তাঁর স্বপ্নের জগতে।

পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত এবং মহাকাশের পতি তার অদ্ভুত টানছিল। গ্রহ উপগ্রহ ছায়াপথ নক্ষত্র দেখতে ভালোবাসতেন

তিনি রাতের আকাশে শক্তিশালী টেলিস্কোপ এর মাধ্যমে তিনি মহাকাশের এইসব মহাজাগতিক দৃশ্য দেখতে ভালবাসতে এবং তার সংগ্রহে রয়েছে অনেক টেলিস্কোপ। তবে এত কিছুর মাঝেও তিনি নিজেকে শেষ করার মত এমন একটি কাজ কেন করলেন সেটি নিয়ে মানুষ দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে গিয়েছে

Check Also

ভালো নেই পূর্ণিমা

ঢাকাই সিনেমার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা ভালো নেই। হঠাৎ করে কয়েকদিন ধরে ঠাণ্ডাজ্বর ও গলা ব্যথায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Recent Comments

No comments to show.