Home / মিডিয়া নিউজ / মা ডেকেই সর্বনাশটা করে ইন্ডাস্ট্রির লোকজন : খালেদা আক্তার কল্পনা

মা ডেকেই সর্বনাশটা করে ইন্ডাস্ট্রির লোকজন : খালেদা আক্তার কল্পনা

ঢাকাই সিনেমায় মা চরিত্রে অভিনয় করে যে কয়জন অভিনেত্রী জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তার মধ্যে অন্যতম

খালেদা আক্তার কল্পনা। ১৯৮৯ সালে জিনের বাদশা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব

অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন তিনি। ঢাকাই চলচিত্রে তিনি মমতাময়ী মা নামে খ্যত।

’মা, ডেকেই সিনেমাকে সর্বহারা করেছে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা। ম্যাডাম, ভাবি, খালা তো ডাকতে পারত, কিন্তু না!

মা ডেকেই সর্বনাশটা করে। মা ডাকলে টাকা পয়সা দিতে হবে না। ইন্ডাস্ট্রির লোকজন মা ডাকে নিজের স্বার্থে,

কাজটা আদায় করে নিতে পারবে। কাজ শেষ কেউ চিনে না।’ এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনা।

। কিন্তু তবে মাঝেমধ্যে নাটকে কাজ করছেন। আরটিভিতে প্রচার চলতি ’লাকি থার্টিন’ নামে একটি ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন এ অভিনেত্রী।

কাজ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবাই শুধু মুখে মুখে, কাজের বেলায় কেউ নেই। কোথাও দেখা হলে হ্যাঁ আপনাকে কাজে নেবো, শিডিউল দিয়েন।

কিন্তু পরে আর কোন খোঁজ থাকে না। এখন তো বাবা কিংবা মায়ের চরিত্র হারিয়েই গিয়েছে। নায়ক নায়িকার প্রেম ছাড়া আর কিছুই দেখা যায় না। তাই আমাদের আর দরকার হয় না। আর যারা কাজ করছে তারা সম্পর্কের কারণে। যাদের সাথে সম্পর্ক খুব ভাল তদেরকে নিচ্ছে। অথচ আমি যে এত বছর ধরে কাজ করে এসেছি, কয়জন আমার খোঁজ নিয়েছে। এত বছর ধরে কাজ করলেও সম্পর্কের কারণে এখন কাজ করতে পারি না। ইন্ডাস্ট্রির কেউ আমার নামে কিছু বলতে পারবে না, কোন অভিযোগ করতে পারবে না।

আমার আর্থিক অবস্থা এখন ভালো না। কেউ কাজেও ডাকে না এখন। সবাই নিজের স্বার্থে কাজ করাতে চায়, টাকা দিতে চায় না।

দেখা হলেই সবাই বলে আপনি নাকি অসুস্থ। আমি তো এখন সুস্থ আছি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যাচ্ছি। তবে কষ্ট লাগে একটা বিষয়ে,

যাদের নিজের গাড়ি বাড়ি আছে বা সামর্থ্য আছে তারা নানারকম অসুস্থতা দেখিয়ে মোটা অংকের সহায়তা পেয়েছে কিন্তু যেখানে আমার কিছুই নেই সেখানে আমি আশানুরূপ কিছুই পাই নি। আমার যখন চোখের সমস্যা হলো তখন প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছি। অথচ যাদের সামর্থ্য আছে তারা এর চেয়েও অনেক বেশি পেয়েছে। আমি হয়ত কাউকে ওভাবে বলতে পারি নি বা বুঝাতে পারি নি আমার সমস্যা গুলো। আমি তো ঠিকমত কাজ ই করছিলাম। আমি কাউকে বলিও নি আমার সমস্যার কথা। আর সমস্যাটার কথা আমি নিজেই জানতে পারি অনেক পরে। আমি যখন আমার জায়গা জমি বিক্রি করে মাদ্রাজ গিয়েছিলাম। সব টাকা খরচ করে আসার পর জানতে পারি আমার চোখের সমস্যার কথা। ততক্ষণে আমি তো নিঃস্ব।

টাকার জন্য আমি আমার ছেলেকে নিয়ে ওমরা হজ করার ইচ্ছা ছিল সেটাও করতে পারি নি। প্রতি ছয় মাস পরপর আমার কলকাতা যাওয়া লাগে চেক আপ করানোর জন্য। আগামীকাল কলকাতা যাব চেক আপ করাতে। ফিরব পরের সপ্তাহে।

অভিনয়ে আগের মতো নিয়মিত নন তিনি। এক বছর ধরে হাতে কোন সিনেমার কাজ নেই। বাসায় শুয়ে বসেই দিন কাটাচ্ছেন। শারীরিক নানা রোগেও ভুগছেন তিনি তার ডান চোখে গ্লুকোমা, রেটিনা আর কর্নিয়ার মারাত্মক সমস্যা ধরা পড়ে,ছয়মাস পরপর কলকাতা যেতে হয় তাকে চেকাপের জন্য

Check Also

পরীমনির দুষ্টুমিতে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন শাকিব!

কখনও মেঘ ছুঁয়েছেন? যদি না ছুঁয়ে থাকেন তাহলে এখনই মেঘের দেশ সিলেটের জাফলং থেকে ঘুরে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

No comments to show.