Home / মিডিয়া নিউজ / বিয়ে করলে পেশাগত জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয় না : নাবিলা

বিয়ে করলে পেশাগত জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয় না : নাবিলা

২৭ ডিসেম্বর অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বায়োস্কোপ অরিজিনালে মুক্তি পাবে ওয়েব ফিল্ম \’মন মন্দিরে\’।

এটি নির্মাণ করেছেন মিজানুর রহমান আরিয়ান। এতে অভিনয় করছেন \’আয়না বাজি\’ খ্যাত অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা ও অভিনেতা মনোজ কুমার।

চলতি মাসের শুরুতে রাজধানীর উত্তরায় চারদিন ব্যাপী শুটিং হয়েছে নাটকটির। শুটিংয়ের ফাঁকে আলাপ হয় নাবিলার সঙ্গে।

কেমন আছেন?

নাবিলা: ভালো। আপনি কেমন আছেন?

আমিও ভালো। প্রশ্নে চলে যাই।

নাবিলা: হ্যাঁ।

প্রথমেই জানতে চাইব, বিবাহিত জীবনে আসার পর পেশাগত জীবনে কোনো পার্থক্য অনুভব করেছেন কিনা?

নাবিলা: আমার সংসারের প্রায় আট মাস। জীবনের এ অধ্যায়টাও অনেক ভালো। আমি বেশ উপভোগ করছি। সত্যি কথা বলতে মিডিয়া কাজ করতে এসে, বিয়ের আগে-পরে এই দুই জীবনে আমি কোনো পার্থক্য খুঁজে পাইনি।

আমার কাছে মনে হয়েছে কোনো পার্থক্যই নেই। বিয়ের আগেও আমাকে এরকম শুনতে হয়েছে যে, \’এখন কেন বিয়ে করছি?\’, \’আমিতো চাইলে এক-দুই বছর পরেও বিয়ে করতে পারি। কারণ এতে পেশাগত জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।\’ কিন্তু আমি এসব কথায় একদমই বিশ্বাসী নই। আমার কাছে ব্যক্তিগত জীবন আলাদা আবার পেশাগত জীবনটাও আলাদা।

কাজ ভালো হলে মানুষ অবশ্যই আমাকে বারবার দেখতে চাইবেন। মানুষ যতক্ষণ আমাকে দেখতে চাইবে, আমি ততক্ষণই কাজ করে যাব। \’বিয়ের কারণে কোনো শিল্পীর কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে\’, এই ধারণা করার কোনো মানে হয় না। (হেসে) আপনার কী মনে হয়? আমার এখন ভাটা পড়েছে কোনো কিছুতে?

হা হা হা হা।

নাবিলা: এখানে পার্থক্য থাকার কোনো কারণও নেই। কিন্তু আমাদের মধ্যেই অনেকে আছেন। যাদের অনেককেই বলতে শুনি যে, \’মেয়েরা মা হয়ে গেলে আর কাজ করতে পারবে না।\’ অথচ আমাদেরই চোখের সামনেই এমন অনেকেই আছেন। যারা কিনা মা হচ্ছেন। নিজেদের মা হওয়ার বিষয়টি তারা লুকাচ্ছেন না।

মা হওয়ার পর নিজেদের ফিট রেখে আবার কাজে ফেরত আসছেন। একই সঙ্গে বাচ্চাকে লালন পালনও করছেন। তাদের দেখে আমি নিজেও অনেক অনুপ্রাণিত হই। আমি নিজেও তাদের মতো হতে চাই।

যারা মা হওয়ার পর নিজেদের ফিট রেখে অভিনয়ে ফিরছেন তাদের দেখে অনুপ্রাণিত হন নাবিলা। ছবি: শাছুল হক রিপন, প্রিয়.কম

প্রিয়.কম: অভিনয় নিয়ে সামনের দিনগুলোতে কীভাবে আগাতে চান?

নাবিলা: খুব বেশি পরিকল্পনা করে আগানোর চেয়ে শুধু ভালো ভালো কাজ করে যাওয়ার ইচ্ছাটাই বেশি। অভিনয় নিয়ে খুব বেশি তাড়াহুড়া আমার নেই। তাই একপা দুপা করে কাজ করছি। অভিনয় আমার খুব ভালো লাগার একটা জায়গা। এখানে রেগুলার কাজ করতে চাইনা। ফাঁকে ফাঁকে আনন্দ নিয়ে অভিনয় করে যেতে চাই।

উপস্থাপনাতেও দেখা যায় আপনাকে।

নাবিলা: উপস্থাপনাটা আমার মেইন প্রফেশন। ভালো কনটেন্টের উপস্থাপনা করার ইচ্ছা আছে। সর্বশেষ লাক্স-চ্যানেল আইয়ের উপস্থাপনা করেছিলাম।

নাবিলার চোখে ব্যক্তিগত জীবন-পেশাদাগত জীবন, একটি অপরটির চেয়ে আলাদা। ছবি: শাছুল হক রিপন, প্রিয়.কম

প্রিয়.কম: ‌‌‌‍‌‌‌‌\’মন মন্দিরে\’ নাটকটি প্রসঙ্গে কিছু বলুন।

নাবিলা: আমি মনে করি প্রতিটা নাটকের গল্পগুলোই আসলে স্পেশাল। প্রত্যেকটা কাজের গল্পগুলো একে অন্যের চেয়ে আলাদা। একটা কাজের মেইন সোল হচ্ছে তার গল্প।

তাই গল্পকে সবসময় স্ট্রং হতে হবে। এই নাটকের গল্টাও খুব সুন্দর। এখানে কিছু না পাওয়ার বিষয় আছে, একটা থিম আছে। গল্পটা আমার ভালো লেগেছে। এ কারণেই আসলে কাজটা করা। আরিয়ানের সঙ্গে এটা আমার দ্বিতীয় কাজ। এর আগে তার সঙ্গে আমি \’সংসার\’ করেছিলাম। \’সংসার\’ নাটকের পর এবার \’মন মন্দিরে\’ করছি।

শহরের বাইরে যখন শুটিং-য়ে যাওয়া হয়। তখন সেখাকার ভক্তের প্রতিক্রিয়া কেমন থাকে?

নাবিলা: অনেক সময় শুটিংয়ে এরকম হয়, প্রথম দেখায় অনেকেই চিনতে পারেন না। প্রথমে অনেকেই আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা করেন এটা আমিই কিনা। যখন বুঝতে পারেন যে, এটা আসলে আমিই। তখন দেখেছি অনেক দূর থেকেও দৌড়াতে, দৌড়াতে চলে এসেছেন।

Check Also

ভালো নেই পূর্ণিমা

ঢাকাই সিনেমার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা ভালো নেই। হঠাৎ করে কয়েকদিন ধরে ঠাণ্ডাজ্বর ও গলা ব্যথায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Recent Comments

No comments to show.