Home / মিডিয়া নিউজ / দৈনিক ২৫০ টাকায় হোটেলে কাজ করি,স্ত্রীও আমাকে ছেড়ে চলে গেছে :পরিচালক পলাশ

দৈনিক ২৫০ টাকায় হোটেলে কাজ করি,স্ত্রীও আমাকে ছেড়ে চলে গেছে :পরিচালক পলাশ

মানুষের জীবনে কখন কি ঘটে তা বলতে পারে না কেউ। আজ যে মানুষটা রাজা কাল তার কিছু

নাও থাকতে পারে।এই দোলাচলের নামই তো জীবন। কোন এক শিল্পির ভাষায় অন্তবিহিন পথে চলাই

জীবন।এমনই এক অন্থীন জীবনের পথের পথিক হলো এক সনমের সিনেমা পরিচালক অরণ্য পলাশ।

নিজের সর্বস্ব শেষ করে একটি ছবি নির্মাণ করেন যার নাম \’গন্তব্য\’। তবে সিনেমার নাম গন্তব্য

হলেও সেই সিনেমাটাই তার গন্তব্য খুজে পায়নি।অনেক আগে সিনেমাটি নির্মান করলেও সেটি পায়নি মুক্তি। যার ফলে সিনেমার পরিচালককে এখন বসতে হয়েছে পথে।
সিনেমা নির্মাণ নাকি নেশার মতো! যাকে এই নেশায় একবার পেয়ে বসে তার জীবনের গতিপথ বদলে যায়। ভাগ্য সহায়তায় কেউ এগিয়ে যান সফলতার দিকে, আবার বিধি বাম হলে পড়ে থাকতে হয় আস্তাকুঁড়ে।

সিনেমার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকে অরণ্য পলাশ নির্মাণ করেছিলেন \’গন্তব্য\’ নামের সিনেমাটি। ফেরদৌস, আইরিন, জয়ন্ত চট্টেপাধ্যায়, কাজী রাজু\’র মত অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে তিনি ছবিটি নির্মাণ করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিনি ছবিটি মুক্তি দিতে পারেননি।

অরণ্য পলাশ বলেন, ছবির প্রযোজক আমি। তাই আমার সর্বস্ব শেষ করে \’গন্তব্য\’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছি। বিভিন্ন জায়গা থেকে সুদে ঋণ নিয়ে, জমি বিক্রি, স্ত্রী\’র গয়না বিক্রি করে সিনেমাটির কাজ শেষ করেছি। ছবির সেন্সর পেয়েছি বেশ আগেই। কিন্তু ছবিটি মুক্তির দেওয়ার জন্য টাকা আমার কাছে নাই।

পলাশ জানান, তিনি চ্যানেল আইয়ের কাছে ছবিটি বিক্রি করতে চেয়েছেন। কিন্তু তারা যা দাম বলছে তা যথেষ্ট নয়।

তিনি বলেন, আমি উপায় না পেয়ে চ্যানেল আইয়ের কাছে ছবিটি বিক্রি করতে চেয়েছি। তারা প্রথম দিকে আমার ছবিটি ১০ লাখ টাকায় কিনতে চেয়েছিলেন। পরে তারা ৭ লাখ টাকা দিবেন বলে জানান। এখন তারা দিতে চাইছেন মাত্র ৪ লাখ টাকা। এরমধ্যে ৩ লাখ ছবির কপিরাইট এবং বাকি এক লাখ টাকা অনলাইন স্বত্ব। এত কম টাকায় সিনেমা বিক্রি করা আদৌ সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, কথায় পলাশের সাথে কথা বলছিলেন প্রতিবেদক। শুনছিলেন সিনেমা নিয়া নানা দিক আর পলাশের অবস্থানের কথা জানতে চান সাংবাদিকরা। তবে পলাশ যা জানায় তা শুনে যে কারো মন দুঃখ লাগাটা স্বভাবিক। পলাশ জানালেন,তিনি এখন মিরপুরে একটি রেস্তোরাঁতে হোটেল বয়ের কাজ করছেন।তিনি বলেন, দৈনিক ২৫০ টাকা হাজিরা ও তিন বেলা খাওয়ার চুক্তিতে রেস্তোঁরায় কাজ করছি।এই ছবিটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমি আমার সব হারিয়েছি। আমার আত্মীয়-স্বজন আমাকে ছেড়ে চলে গেছেন। এমনকি আমার স্ত্রীও চলে গিয়েছেন আমাকে ছেড়ে।

Check Also

ভালো নেই পূর্ণিমা

ঢাকাই সিনেমার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা ভালো নেই। হঠাৎ করে কয়েকদিন ধরে ঠাণ্ডাজ্বর ও গলা ব্যথায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Recent Comments

No comments to show.