Home / মিডিয়া নিউজ / বাবার চেয়ে দুই ঘণ্টার বড় সন্তান!

বাবার চেয়ে দুই ঘণ্টার বড় সন্তান!

বাবা আলী যাকের এবং সন্তান ইরেশ যাকের। আজ তাদের দুজনেরই জন্মদিন। আলী যাকেরের

জন্মদিন ৬ নভেম্বর ১৯৪৪ সালে। ইরেশ যাকের জন্মেছেন ৬ নভেম্বর ১৯৭৬। আর তাই

প্রতিবছর একই দিনে জন্মদিনের কেক কাটেন তারা। আজ সোমবার, দিবসের শুরুতে কেক কেটেছেন পিতা-পুত্র। বাবার মুখে কেক তুলে দিয়েছেন পুত্র।

তাদের জন্মদিনে সারা যাকের ফেসবুকে উইশ করে লিখেছেন, ‘হ্যাপি বার্থ ডে অন ৬ নভেম্বর, টু বার্থ ডে বয়েজ।’

একটু পেছনের ইতিহাস টানা যাক। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ইরেশ যাকেরের জন্ম হওয়ার কথা ছিল ২২ অক্টোবর। কিন্তু সারা যাকেরের জন্মদিন ২২ অক্টোবর হওয়ার কারণে সবাই চেয়েছিল ইরেশ যাকের যেন একদিন আগে জন্মায়। কিন্তু ২২ অক্টোবরেরও ১৫ দিন পর, অর্থাৎ ৬ নভেম্বর, রাত আটটায় জন্মগ্রহণ করেন ইরেশ যাকের। এমনই মজার অনুভূতি ব্যক্ত করে আলী যাকের গমমাধ্যমে জানিয়েছেন ‘আমার জন্ম একইদিন রাত ১০টায়। সে হিসেবে বাবার চেয়ে ছেলেকে বড় বলাই যেতে পারে’।

গোটা যাকের পরিবারই অভিনয় শিল্পের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং অভিনয় জগতে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। এমন কি আলী যাকের-সারা যাকের দম্পতির আরেক সন্তান শ্রেয়া যাকের, তিনিও অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

মঞ্চে আলী যাকেরের শুরুটা ১৯৭২ সালে। আরণ্যক নাট্যদলের হয়ে মামুনুর রশীদের নির্দেশনায় মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। একই সালের মাস নাগাদ খান আতাউর রহমানের নির্দেশনায় ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ নাটকেও অভিনয় করেছিলেন, যে নাটকের প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল ওয়াপদা মিলনায়তনে। আলী যাকের অভিনীত বহুল জনপ্রিয় কিছু মঞ্চ নাটক হচ্ছে, ‘দেওয়ান গাজীর কিসসা’, ‘গ্যালিলিও’ ‘কবর’ প্রভৃতি।

টিভিতেও রয়েছে আলী যাকের অভিনীত বহুল জনপ্রিয় কিছু নাটক। ‘আজ রবিবার’, ‘অয়ময়’, ‘বহুব্রীহি’ ‘পাথর সময়’- আলী যাকের অভিনীত এ নাটকগুলো দর্শক হৃদয়ে আজও গেঁথে রয়েছে। অপর দিকে বাংলা চলচ্চিত্র, টিভি নাটক ও টেলিফিল্মে অভিনয় করে চালিয়ে যাচ্ছেন ইরেশ যাকের। তার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলো হচ্ছে- ‘চোরাবালি’, ‘জিরো ডিগ্রী’ ও ‘ছুঁয়ে দিলে মন’। ‘আমাদের গল্প’, ‘ইম্পসিবল ৫’ এবং ‘অল টাইম দৌঁড়ের উপর’ নামে টেলিফিল্মে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে ইরেশ যাকেরকে।

Check Also

খোঁজ পাওয়া গেল সালমান শাহের আরেক নায়িকা সন্ধ্যার

ঢালিউডে তিনি যাত্রা করেছিলেন ‘প্রিয় তুমি’ সিনেমা দিয়ে। সেটা ১৯৯৫ সালের কথা। কলেজে পড়ার সময় …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Recent Comments

No comments to show.